সুনীলের হাহাকার লোক টা কি
শুনেছিলো?
"নাদের আলি আমি আর কতো বড় হবো, আমার মাথা এ ঘরের..."
লোকটা কেমন ছিল, নাদের আলি?
পারানির মাঝি ছিল? বহুবার এ পাড় ও পাড়
ঘাট থেকে ঘাটে নিয়ে যেত?
নিজের কাজের মাঝে বরাভয়
বন্ধু হয়ে
মাছ, পাখি, জল আর আকাশ চেনাত'?
নদীর চড়ার গাছ, কাশ ফুল,
ঝিলমিলে জল
এসব দেখাতে নিয়ে,
(নাকি আরও বেশি দিত কিশোরকে
স্বাধীনতা ?)?????
কখনো হঠাৎ বৈঠাটা তুলে দিত
হাতে?
নাও, দাঁর
বাও!
তারপর হুঁকো টায় আগুন ধরিয়ে
গলুইয়ের কোনে বসে
সুখটান দিত?
নাকি ছিল বাগানের মালি, কিম্বা ঘোড়ার সহিশ ?
বাপ কাকা জেঠা দের নজর এড়িয়ে
গাছেতে চড়তে দিত? কিম্বা
ঘোড়ার পিঠে ?
চাবুকটা হাতে দিত সাবধান করে
?
"একদম চালাবে না”!
কিশোর তাতেই খুশি, বড়দের দুনিয়াটা হাতের মুঠোয়
পেয়ে!
এভাবেই একদিন ৪৭ পেরিয়ে তারা
এ পার ও পার
মাঝে কাঁটাতার - ও পারে
নাদের আর এ পারে সুনীল!
পদ্মদীঘির বিল - হায়রে সুনীল;
নাদেরও কি কষ্ট পেয়েছিলো
সুনীলের হাহাকার শুনে ?
এরকম বহুবার ঘটে গেছে
পৃথিবীর বুকে,
উপলক্ষ কিছু পেলে লাগে নি
সময়
টেনে দিতে আড়াআড়ি মানুষের
বুকে কাঁটাতার,
প্রিয়জন এ পার ও পার,
থেকে গেছে শুধু হাহাকার!
..................................................................
(কিছুদিন আগের কবিতা - ২০১১ মার্চ)
No comments:
Post a Comment