কালবৈশাখীর মেঘগুলো নেচে নেচে এসে আছড়াল তালগাছগুলোর মাথা আছারি পিছারি, কতকাল ডেকে ডেকে হায়রান
এতদিনে কাছে পেয়ে দারুন মাতাল যেন মাল খেয়ে আদাখেলে, ঝর্নার পারা অঝোরে বৃষ্টির জল দেখতে দেখতে থৈ থৈ পাড়ার পুকুর। রাস্তাঘাট চায়ের দোকান শুনশান, শুধু ঝড় বৃষ্টির কঞ্চের্তোঁ । একটা দিগন্তচেরা বিদ্যুৎের ফালা তীক্ষ্ণ ভালার মত এ ফোঁড় ও ফোঁড় করে দিল দুরের আকাশ নিঃশব্দে ।
চায়ের দোকানের ছেলেটা ঢাকার প্লাস্টিক নিয়ে দারুন বিব্রত , বাতাস সামলায় তো বৃষ্টির খিল খিলে উল্লাস আর
বৃষ্টি আটকায় তো বাতাস উড়িয়ে দেয় সমস্ত আড়াল
যেন উন্মত্ত প্রেমের প্যাসনে সমস্ত খুলে নিয়ে নগ্ন করে দেবে , ছেলেটা নাজেহাল - কাকে সামলায়! আমি দেখছি আর ভাবছি সুরঙ্গমা এরকমই হঠাৎ হঠাৎ এসে আছড়াত আর তার পর - কালবৈশাখী বেশিক্ষণ থাকেনা, পুকুর ভরাট দু চারটে ভাঙা ডাল এক আধটা বজ্রাহত তালগাছ এ সব ছাপিয়ে গিয়ে ছেড়ে গেল সিক্ত এক রেশ। জীবন ভিজেছে বরাবর সেই অট্টরোলে। আমি তো মরণ খুঁজে জীবনের কাছে শুধু ঋণ করে গেছি, নতজানু করে রাখে বুকের কবরে তাই অম্লান কবরী গন্ধ ।
কালবৈশাখী এলে তাই সুরঙ্গমা তুমি ফিরে আস আমার দর্শনে...
No comments:
Post a Comment