Thursday, March 21, 2013

আবোল কিন্তু তাবোল নয়



বড় বেশী বোঝা টানার মানে বুঝি এই বোঝা টানার একটা স্বতসিদ্ধ দায় এসে পড়েছে। জ্ঞ্যানী হজরত না বোকা বেড়াল কিম্বা পাঁঠা। শালার বিধাতা মাথাটা ঘাড়ের ওপর দিল আর জগতসোমসার পুড়কি দিল ওটায় ব্রেন আছে। আমিও সে আঁচে গলে গেলুম। আহা কি সুখ সেই আলত ক্যাডবেরির সুখ। কিন্তু নিমজ্জিত সুখের অসুখে যেন একটা অলিখিত শাসানি রয়েছে - লাইনে এসো না হলে দানা পানি বন্দ।

হায়রে পিঞ্জিরা, রঙিলা স্বপন দিলি, পরানে আবির ঢালি, তারপর - বৃদ্ধ গ্যালিলিও পিসার মন্দিরে - সুখ আর অসুখ বকের পালকের মত ভেসে আছে, পাথরটা শুধু চিরকাল আগে আছড়ে পড়ে মাটির ওপর, মাধ্যাকর্ষণ, আর সামাজিক অভিকর্ষ - দুটোই বেশ বলশালী বস্তু।

একটা ক্লান্ত উড়ুক্কু বাইন লাফিয়ে উঠে দেখেছিল নদীটা সরে গেছে, ব্যাস নদী চাই নদী দাও, কান্নাকাটি। একটা গরিব মুচি ছেঁড়া নদীটার ক্যাঁতা সেলাই করে এনে বলল নাও ধর এইবার লাপাও যত খুশী। বাইন দেখে সে নদীতে কি ঢেউ কি ঢেউ, ব্যাস, লাফাতেই গা ভর্তি শ্যাওলা।

খরস্রোতা আদিম কোথায় তুমি, বাইনের ভেজা গা মুছতে গামছা চাই, নদীটা এগিয়ে দিল ভেজা শাড়ীর পাড়। সে সিক্ত বসনে ছিল কণ্ঠস্বর - আহ্লাদের।

গাঙ্গের নাগরী রাঙা ঠোঁট পান পাত্রে পিচ ফেলিয়া কয় বেভুলা নাই লজ্জা আমি, আমারে কাঁদাও, এক্ষুনি এত্তা জঞ্জাল বলে নাচ ধরব, তকন ঠ্যালাটি টের পাবে। যাও চলে যাও, শুদু ইসসে হলে গোপন চুমি দেবখন। আমিও চিরকুটের প্রেমের আশায় বাধিনু খেলাঘর, কিচেন আর ঘরের কার্নিশে অনেক আগাছা জন্মাল, আমি ঘোরে আছি, কখন গোপন চুমি আসবে।

একদিন দেখে নেব সব কিছু
খুঁড়ে নেব পর্দানশীন সব চুপকথা রুপকথাদের মাঠ
দেখে নেব সে আকাশে কোন মাতোয়ারা রাত্রিবাসের গন্ধ আছে কিনা
দেখে নেব বুঝে নেব মৌনতার শব্দ কোন স্তরে নিয়ে যেতে পারে

No comments:

Post a Comment